থাইরয়েড

থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার:

আপনি কি ইদানীং খুব ক্লান্ত বোধ করছেন? ডায়েট করেও ওজন কমাতে পারছেন না অথবা প্রচুর খেয়েও ওজন বাড়ছে না? চুল পড়ে যাচ্ছে বা মেজাজ খিটখিটে থাকছে? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে হতে পারে আপনি থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, সারা বিশ্বে প্রায় ৭৫ কোটি মানুষ থাইরয়েডজনিত কোনো না কোনো সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে একটি বড় অংশই জানেন না যে তাদের এই রোগটি আছে। একে বলা হয় “নীরব ঘাতক”

আজ আমি আপনাদের থাইরয়েড সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো ভেঙে দেব এবং সঠিক তথ্য তুলে ধরব। আজকের এই বিস্তারিত ব্লগে আমরা জানব—থাইরয়েড আসলে কি, এটি বাড়লে বা কমলে কি হয়, টেস্ট রিপোর্ট বোঝার উপায় এবং সারাজীবন সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

থাইরয়েড গ্ল্যান্ড কি এবং এর কাজ কি?

থাইরয়েড (Thyroid) আমাদের গলার সামনের দিকে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড। এটি দেখতে অনেকটা প্রজাপতির মতো (Butterfly-shaped)। শ্বাসনালীর ঠিক সামনে এর অবস্থান।

এই ছোট্ট গ্রন্থিটি আমাদের শরীরের “ইঞ্জিন” বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। এটি থেকে প্রধানত দুটি হরমোন নিঃসৃত হয়:
১. T3 (Triiodothyronine)
২. T4 (Thyroxine)

এই হরমোনগুলোর কাজ হলো:

  • শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • খাবার হজম করে শক্তিতে রূপান্তর করা (মেটাবলিজম)।
  • হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন ঠিক রাখা।
  • মস্তিষ্কের বিকাশ ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখা।
  • নারীদের মাসিক চক্র ও প্রজনন ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা।

যখন এই গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ করে না, তখনই শরীরে বিপর্যয় নেমে আসে।

থাইরয়েড সমস্যা কত প্রকার? (Types of Thyroid Disorders)

থাইরয়েডের সমস্যা মূলত দুই ধরণের হতে পারে। এই দুটির লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই আপনার কোনটি হয়েছে, তা জানা জরুরি।

১. হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism)

এটি সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। যখন থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম হরমোন তৈরি হয়, তখন তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলে।

  • সহজ কথায়: আপনার শরীরের ইঞ্জিন স্লো বা ধীর হয়ে গেছে। সবকিছু আস্তে আস্তে চলছে।

২. হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism)

এটি ঠিক উল্টো। যখন থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হরমোন তৈরি হয়, তখন তাকে হাইপারথাইরয়েডিজম বলে।

  • সহজ কথায়: আপনার শরীরের ইঞ্জিন খুব ফাস্ট বা দ্রুত চলছে। শরীর সবসময় দৌড়ানোর ওপর আছে।

হাইপোথাইরয়েডিজম: লক্ষণ ও কারণ (যখন হরমোন কমে যায়)

আমাদের দেশে, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই টাইপটিই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

১০টি প্রধান লক্ষণ:

১. অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি: আপনি হয়তো কম খাচ্ছেন, কিন্তু ওজন বেড়েই চলেছে।
২. অতিরিক্ত ক্লান্তি: সারারাত ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্ত লাগে। শরীরে কোনো শক্তি পাওয়া যায় না।
৩. শীত বেশি লাগা: অন্যদের যখন গরম লাগছে, আপনার তখন শীত করছে (Cold Intolerance)।
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য: হজম ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে পেট পরিষ্কার না হওয়া।
৫. ত্বক ও চুল: ত্বক খুব শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যাওয়া। চুল পড়ে পাতলা হয়ে যাওয়া।
৬. মাসিকের সমস্যা: নারীদের মাসিক অনিয়মিত হওয়া বা খুব বেশি রক্তপাত হওয়া (Heavy bleeding)।
৭. গলার স্বর: গলা ভেঙে যাওয়া বা কর্কশ শোনানো।
৮. স্মৃতিশক্তি: ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বা ‘ব্রেইন ফগ’ (Brain Fog)।
৯. বিষণ্নতা: অকারণে মন খারাপ থাকা বা ডিপ্রেশন।
১০. পেশীতে ব্যথা: জয়েন্টে ব্যথা বা শরীর কামড়ানো।

কেন হয়?

  • অটোইমিউন রোগ (Hashimoto’s Thyroiditis): শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডকে আক্রমণ করে নষ্ট করে দেয়। এটিই হাইপোথাইরয়েডিজমের প্রধান কারণ।
  • আয়োডিনের অভাব: খাবারে পর্যাপ্ত আয়োডিন না থাকলে।
  • সার্জারি: কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড কেটে ফেলে দিলে।

হাইপারথাইরয়েডিজম: লক্ষণ ও কারণ (যখন হরমোন বেড়ে যায়)

এটি কম দেখা গেলেও শরীরের জন্য এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

১০টি প্রধান লক্ষণ:

১. ওজন কমে যাওয়া: প্রচুর খাওয়ার পরেও ওজন দ্রুত কমতে থাকে।
২. বুক ধড়ফড় করা: বসে থাকলেও হার্টবিট খুব দ্রুত চলে (Palpitations)।
৩. গরম সহ্য না হওয়া: সবসময় গরম লাগে এবং অতিরিক্ত ঘাম হয় (Heat Intolerance)।
৪. হাত কাঁপা: হাত সোজা করে রাখলে আঙুলগুলো কাঁপতে থাকে (Tremors)।
৫. নার্ভাসনেস: সবসময় অস্থির লাগা, উদ্বেগ বা এনজাইটি কাজ করা।
৬. চোখের সমস্যা: চোখ কোটর থেকে বেরিয়ে আসার মতো বড় বড় দেখানো (Graves’ Ophthalmopathy)।
৭. পাতলা পায়খানা: হজম খুব দ্রুত হওয়ায় ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া লাগে।
৮. চুল পড়া: চুল খুব পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।

৯. ঘুমের সমস্যা: রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া (Insomnia)।
১০. মাসিক: মাসিক খুব অল্প হওয়া বা অনিয়মিত হওয়া।

কেন হয়?

  • গ্রেভস ডিজিজ (Graves’ Disease): এটি একটি অটোইমিউন রোগ যা গ্ল্যান্ডকে অতিরিক্ত হরমোন তৈরিতে বাধ্য করে।
  • নডিউল: থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে ছোট ছোট টিউমার বা চাকা হলে।
  • অতিরিক্ত আয়োডিন: খুব বেশি আয়োডিন যুক্ত খাবার বা ঔষধ খেলে।

থাইরয়েড ও প্রেগন্যান্সি: নারীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

নারীদের জন্য থাইরয়েড হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা মা হতে চাইছেন বা গর্ভবতী।

১. বন্ধ্যত্ব: থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য না থাকলে ওভুলেশন (ডিম্বাণু বের হওয়া) ঠিকমতো হয় না। ফলে গর্ভধারণে সমস্যা হয়।
২. গর্ভপাত: গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস ভ্রূণের বিকাশের জন্য মায়ের থাইরয়েড হরমোন দরকার। হরমোন কম থাকলে (Hypo) বারবার গর্ভপাত (Miscarriage) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৩. বাচ্চা বোকা হওয়া: গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড চিকিৎসা না করালে বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশ হয় না। বাচ্চা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী (Cretinism) হতে পারে।

পরামর্শ: আপনি যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা করেন, তবে আগেই TSH টেস্ট করে নিশ্চিত হন আপনার থাইরয়েড ঠিক আছে কি না। গর্ভাবস্থায় প্রতি ট্রাইমেস্টারে একবার করে টেস্ট করা জরুরি।

রোগ নির্ণয়: TSH রিপোর্ট কিভাবে বুঝবেন?

ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি সাধারণত একটি রক্ত পরীক্ষা দেন যার নাম ‘Thyroid Profile’। এতে T3, T4 এবং TSH দেখা হয়। এর মধ্যে TSH (Thyroid Stimulating Hormone) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সহজ ভাষায় রিপোর্ট বোঝার উপায়: TSH আসলে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের হরমোন নয়, এটি মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে আসে। এটি থাইরয়েডকে হুকুম দেয় কাজ করার জন্য।

  • TSH বেশি (High): এর মানে আপনার মস্তিষ্ক চিৎকার করে থাইরয়েডকে বলছে “কাজ করো”, কিন্তু থাইরয়েড কাজ করছে না। অর্থাৎ আপনার হাইপোথাইরয়েডিজম আছে (হরমোন কম)।
  • TSH কম (Low): এর মানে থাইরয়েড অতিরিক্ত কাজ করছে, তাই মস্তিষ্ক তাকে বলছে “থামো”। অর্থাৎ আপনার হাইপারথাইরয়েডিজম আছে (হরমোন বেশি)।

স্বাভাবিক মাত্রা: সাধারণত ০.৪ থেকে ৪.০ mU/L। তবে ল্যাবরেটরি ভেদে এটি সামান্য কমবেশি হতে পারে।

খাদ্যাভ্যাস: থাইরয়েড রোগীদের ডায়েট চার্ট

অনেক রোগী জিজ্ঞেস করেন, “ডাক্তার, বাঁধাকপি খেলে কি থাইরয়েড বাড়ে?” আসুন জেনে নিই বিজ্ঞানের উত্তর।

হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম) রোগীদের জন্য:

যাদের ওজন বাড়ছে এবং হরমোন কম, তাদের কিছু খাবার এড়াতে হয়।

  • গয়ট্রোজেনিক ফুড (Goitrogenic Foods): বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রোকলি, পালং শাক এবং সয়াবিন।
    • সত্য: এই খাবারগুলো কাঁচা খেলে থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। কিন্তু ভালোভাবে রান্না করে খেলে এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রায় নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্না করে পরিমিত পরিমাণে খেতে পারবেন। তবে সয়াবিন বা সয়া মিল্ক এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • আয়োডিন: আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ, ডিম ও দুধ খেতে হবে।
  • সেলেনিয়াম ও জিংক: হরমোন কার্যকারিতা বাড়াতে ব্রাজিল নাট, কাজুবাদাম, মুরগির মাংস ও কুমড়ার বীজ খান।
  • গ্লুটেন: অনেকের ক্ষেত্রে গ্লুটেন (গম, আটা) সমস্যা করে। কিছুদিন রুটি খাওয়া বন্ধ করে দেখতে পারেন উপকার পান কি না।

হাইপারথাইরয়েডিজম (হরমোন বেশি) রোগীদের জন্য:

  • এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার (যেমন সামুদ্রিক শৈবাল বা সি-উইড), অতিরিক্ত লবণ এবং ক্যাফেইন।
  • খেতে হবে: ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার, কারণ এই রোগে হাড় দুর্বল হয়ে যায়।

চিকিৎসা: ওষুধ খাওয়ার সঠিক নিয়ম

হাইপোথাইরয়েডিজমের চিকিৎসা খুবই সহজ, কিন্তু নিয়ম মানা জরুরি। ডাক্তাররা সাধারণত ‘থাইরক্সিন’ (Thyroxine) জাতীয় ওষুধ দেন।

গোল্ডেন রুলস:
১. খালি পেটে: এই ওষুধটি অবশ্যই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেতে হবে।
২. বিরতি: ওষুধ খাওয়ার পর অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত চা, কফি বা অন্য কোনো খাবার খাওয়া যাবে না। এমনকি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধও না।
৩. নিয়মিত: এটি একটি হরমোন রিপ্লেসমেন্ট। একদিন খেলে, দুইদিন ভুলে গেলে কাজ হবে না। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. ব্র্যান্ড পরিবর্তন নয়: ডাক্তার যে ব্র্যান্ডের ওষুধ দিয়েছেন, সেটিই খাওয়ার চেষ্টা করুন। ব্র্যান্ড পাল্টালে হরমোনের মাত্রায় হেরফের হতে পারে।

সতর্কতা: লক্ষণ কমে গেলেও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না। অনেকের সারাজীবন এই ওষুধ খেতে হয়।

থাইরয়েড নিয়ে প্রচলিত ৩টি ভুল ধারণা (Myths vs Facts)

মিথ ১: থাইরয়েড হলে আর বাচ্চা নেওয়া যায় না।

  • ফ্যাক্ট: এটি ভুল। হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকলে আপনি খুব সহজেই সুস্থ বাচ্চার মা হতে পারেন। শুধু নিয়মিত চেকআপ ও ওষুধের ডোজ ঠিক রাখা জরুরি।

মিথ ২: মোটা হলেই থাইরয়েড আছে।

  • ফ্যাক্ট: ওজন বাড়ার শত শত কারণ আছে। শুধুমাত্র রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যায় এটি থাইরয়েডের কারণে কি না।

মিথ ৩: ওষুধ খেলে আজীবনের জন্য রোগ সেরে যাবে।

  • ফ্যাক্ট: থাইরয়েড সাধারণত ডায়াবেটিস বা প্রেসারের মতো একটি রোগ যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। এটি পুরোপুরি সারে না (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম), কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রাখলে আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের মতো জীবনযাপন করতে পারবেন।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন (Lifestyle Modification)

ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে হরমোন ব্যালেন্স করা সহজ হয়।
১. স্ট্রেস কমান: অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা কর্টিসল হরমোন থাইরয়েড ফাংশন নষ্ট করে। মেডিটেশন বা ইয়োগা করুন।
২. ব্যায়াম: ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মেটাবলিজম বাড়াতে প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।
৩. প্লাস্টিক বর্জন: প্লাস্টিকের বোতল বা বক্সে BPA থাকে যা হরমোন নষ্ট করে। কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার করুন।
৪. ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের হরমোন সিস্টেম রিসেট করতে সাহায্য করে।

উপসংহার:

থাইরয়েড সমস্যা এখন আর কোনো বিরল রোগ নয়। এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং নিয়মিত একটি ছোট্ট ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে আপনি ১০০% সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।

লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে নারীরা, যারা সংসার ও অফিসের চাপে নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন না—তাদের প্রতি অনুরোধ, ক্লান্তি বা ওজন বৃদ্ধিকে “স্বাভাবিক” মনে না করে একবার অন্তত TSH পরীক্ষা করান। আপনার সচেতনতাই আপনাকে এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ রাখবে।

সুস্থ থাকুন, সঠিক তথ্য জানুন।

তথ্যসূত্র (References):

এই ব্লগটি Endocrinology (হরমোন ও বিপাকতন্ত্র) এর আধুনিক চিকিৎসা প্রোটোকল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে লেখা হয়েছে। এখানে কোনো অবৈজ্ঞানিক তথ্য বা ক্ষতিকর পরামর্শ দেওয়া হয়নি।
Sources:

  1. World Health Organization (WHO): Thyroid Disorders Guidelines.
  2. American Thyroid Association (ATA): Patient resources on Hypothyroidism & Hyperthyroidism.
  3. Mayo Clinic: Thyroid disease diagnosis and treatment.
  4. Endocrine Society: Hormone Health Network.

(বিঃদ্রঃ এই ব্লগটি সাধারণ স্বাস্থ্য সচেতনতা ও শিক্ষামূলক তথ্যের জন্য লেখা হয়েছে। এটি কখনোই সরাসরি ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনের বিকল্প নয়। আপনার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ওষুধের ডোজ নির্ধারণ করতে অবশ্যই একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের পরামর্শ নিন।)

Scroll to Top